• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

র‍্যাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

র‌্যাবঢাকা : হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি আরজু মিয়াকে ক্রসফায়ারে হত্যার ঘটনায় র‌্যাব-২ এর সদ্য অপসারিত অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম মাসুদ রানাসহ চার জনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনান মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

গত ১৭ আগস্ট রাতে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন আরজু।

এ ঘটনার পর আরজু মিয়াকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে র‌্যাব-২ এর অধিনায়কসহ চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনানের আদালতে রবিবার আরজু মিয়ার বড় ভাই মাসুদ রানা মামলার আবেদন করেন। নথি পর্যালোচনা করে মামলার বিষয়ে আদেশ পরে জানাবেন আদালত।

এ দিকে রবিবার মামলার আবেদনের পরদিন সোমবার র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম মাসুদ রানাকে ব্যাটালিয়ন থেকে প্রত্যাহার করে র‌্যাব সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

মামলায় র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রানা, ডিএডি শাহেদুর রহমান, পরিদর্শক ওয়াহিদ এবং র‌্যাবের সোর্স রতনকে অভিযুক্ত করা হয়। মামলার বাদীর নামও মাসুদ রানা। মামলায় ৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার আরজি থেকে জানা যায়, ১৭ আগস্ট মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে রাজা মিয়া নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়াকে প্রধান আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে পূর্বপরিকল্পনা মাফিক আরজুকে হাজারীবাগ পার্কের মূল ফটক থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে কোনো অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে রাখা হয়। অপহরণের কোনো এক সময় পরিকল্পিতভাবে আরজুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর সিকদার মেডিকেলের পেছনে খোলা জায়গায় ফেলে রাখে তিন র‌্যাব কর্মকর্তা।

মামলার বাদী হাজারীবাগ থানায় গিয়ে বলেন, ‘তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে তার ভাই আরজু মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকজনকে আমি জিজ্ঞাসা করলে তারা জানান, বিকেল ৫টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ওই এলাকায় কোনো বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘১৯ আগস্ট (বুধবার) র‌্যাব-২ এর সিও (অধিনায়ক) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বীকার করেন, আরজু মিয়া বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। এর পর আমি হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে থানা মামলাটি গ্রহণ করেনি। থানায় মামলা গ্রহণ না করায় আদালতে মামলা করেছি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ